দিবস

১৬ই ডিসেম্বর ২০২২ কততম বিজয় দিবস

প্রিয় ভিউয়ার্স আপনাদেরকে আমাদের পেজে স্বাগতম।আজ আমরা আপনাদের মাঝে আলোচনা করতে এসেছি ১৬ ই ডিসেম্বর বিজয় দিবস সম্পর্কে। ১৬ই ডিসেম্বর ২০২২ কততম বিজয় দিবস অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আমরা বাঙালি আমাদের সবারই জানা উচিত ২০২২ সালে ১৬ই ডিসেম্বর কততম বিজয় দিবস অনুষ্ঠিত হবে। আমাদের এই পোস্টটিতে দেয়া হয়েছে ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় দিবস?পোস্টটি ভিজিট করলে আপনি পেয়ে যাবেন ডিসেম্বর ২০২২ কত তম বিজয় দিবস। উত্তরটিতে আপনাদের জন্য হবে ১৬ই ডিসেম্বর ২০২২ এর৪৫ তম বিজয় দিবস। বাংলাদেশ বিজয় লাভ করেছে ৪৫ টি বছর পার হয়ে গেছে।

বাংলাদেশ এই ১৬ই ডিসেম্বরে পেয়েছিল সার্বভৌমত্ব এবং শত্রুমুক্ত বাংলাদেশ। বিজয়ের ৪৫ টা বছর এদেশে মানুষ এই ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় দিবস টি উদযাপন করে যাচ্ছে। লাখো শহীদদেরকে শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে দিনটি পালন করা হয়ে থাকে। শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে এদেশে বিজয় এনেছে তারা। অথবা আমরা আজ এই বিজয় পেতাম না। পশ্চিম পাকিস্তান আমাদেরকে তাদের অন্তভুক্ত করে নিত। বাঙালি কখনো হারতে শিখেনি।

বাঙালির কাছে কিছু না থাকলেও আছে প্রাণভরা আত্মবিশ্বাস যে আত্মবিশ্বাস বাঙালিকে আজ নিয়ে গেছে পৃথিবীর সর্বোত্তম স্থান। আর যদি বাঙালির মনে আত্মবিশ্বাস না থাকতো তাহলে কখনোই বাঙালির যুদ্ধ করে দেশে বিজয় লাভ করতে পারত না। নিরস্ত্র বাঙালি যুদ্ধ করে দেশকে স্বাধীন করেছে বিজয়কে ছিনিয়ে এনেছে। ১৬ই ডিসেম্বর ২০২২ ৪৫ তম বিজয় দিবস এর কাহিনী জানতে হলে আমাদের সঙ্গেই থাকুন আর দেখতে থাকুন।

১৬ই ডিসেম্বর ২০২২ কত তম বিজয় দিবস

১৬ই ডিসেম্বর যা কিনা আমরা বিজয় দিবস হিসেবে উদযাপন করে আসছি। এই দিনটিতে আমাদের বাংলাদেশ বিজয় লাভ করেছিল। আর সেই বিজয়কে আমরা স্মরণীয় করে রাখতে প্রতিটি বছর এই দিনটিতে বিজয় দিবস হিসেবে উদযাপন করে থাকে।আমাদের বাংলাদেশের সর্বত্র জায়গায় ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় দিবস উপলক্ষে নানান অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দিনটি উদযাপিত করা হয়ে থাকে এটা হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী দেওয়া নির্দেশ। ২০২২ সালে ১৬ই ডিসেম্বর ৪৫ তম বিজয় দিবস অনুষ্ঠিত হতে যাবে। যে  বিজয় দিবস আমাদের মাঝে আসতে আর বেশি দেরি নয়। আর কিছুদিন পরেই আমাদের মাঝে চলে আসবে ২২ সালের ৪৫ তম বিজয় দিবস এই দিনটি আমরা নানান কর্মসূচির মাধ্যমে পালন করে থাকি। স্কুল ,কলেজ ,মাদ্রাসা বিভিন্ন জায়গাতে শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ের যে পেয়েছিস বিজয় দিবস। বিজয়ের এই দিনটি তাই তাদের আত্মার জন্য মাগফিরাত করা হয়ে থাকবে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৪৫ তম বিজয় দিবসের দিনে যে সকল শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে বিজয় দিবস। তাই ওই সকল শহীদদের কবরে  ফুল নিবেদন করে থাকবে এবং তাদের আত্মার মাগফিরাতের জন্য দোয়া করে থাকবেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি বিভিন্ন লোক একসঙ্গে ফুল নিবেদন ও দোয়া মোনাজাত করে থাকবেন। আর যদি বিজয় লাভ না করতো বাংলাদেশ তাহলে স্বাধীন রাষ্ট্র ,স্বাধীন দেশ আমরা কখনোই পেতাম না। পরাধীন হয়ে বাচতে হতো পশ্চিম পাকিস্তানিদের সাথে। আমাদের বাংলাদেশের কিছু নরপিশাচ এর সহায়তায় পশ্চিম পাকিস্তানরা এদেশের প্রতি বেশি অত্যাচার করতে পেরেছে।

নতুবা এদেশের লোকের প্রতি এত বেশি অত্যাচার করতে পারত না।তাই এ সকল মানুষরূপী নরপিশাচ রাজাকারদের খুঁজে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যজ্ঞ শাস্তি দিবেন। এই আশায় তার কাছে আমাদের ব্যক্ত করা হলো। বিজয়ের ৪৫ বছর হয়েছে ঠিক কিন্তু এখনো পর্যন্ত সেই রাজাকারদের সঠিক বিচার হয়নি। তারা এই স্বাধীন সার্বভৌমত্ব নিঃশ্বাস নিয়ে বেঁচে আছে।তাদের এই স্বাধীন দেশে বেঁচে থাকার কোন অধিকারই নেই কেননা তারাই সবথেকে বেশি ক্ষতি করেছে পশ্চিম পাকিস্তানদের সাথে হাত মিলিয়ে বাংলাদেশের মানুষের জন্য। দাবিয়ে রাখতে পারিনি পশ্চিম পাকিস্তানের লোক বাঙালি তাদের বিজয়কে ঠিকই চিনিয়ে এনেছে। ‌

সর্বশেষে বলতে চাই যে এতক্ষণ আমাদের সঙ্গে থাকার জন্য আপনাদেরকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আমরা এতক্ষণ চেষ্টা করেছি ,আপনাদের সামনে তুলে ধরার জন্য ২০২২ সালে ১৬ই ডিসেম্বর ৪৫তম বিজয় দিবস এই সম্পর্কে। আমরা আশা করবো ,আমাদের দেওয়া পোস্টটি আপনাদের ভালো লাগবে। তবে পোস্টে ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। আবার অন্য কোনদিন অন্য কোন পোস্টে আপনাদের সঙ্গে দেখা হবে। সে পর্যন্ত ভালো থাকবেন ,সুস্থ থাকবেন, আপনাদের দীর্ঘায়ু কামনা করছি, আল্লাহ হাফেজ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *